২৭ জুলাই, ১৯৭১। অবরুদ্ধ ঢাকায় পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনার কোল আলো করে জন্ম তার। প্রেরণায় ধারণ করেছেন নানা বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশপ্রেম ও বলিষ্ঠতা। সব মিলে তিনি হয়ে উঠেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্থপতি।
সোমবার সকালেই, ৫০তম জন্মদিনে তার এই অদম্য জয় যাত্রাকে স্মরণ করলো আইসিটি পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘায়ু কামনা করে ডিজিটাল প্লাটফর্মে শুভেচ্ছায় সিক্ত করলো তাকে।
সামি আহমেদের সঞ্চালনায় আইসিটি পরিবারের এই শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এনএম জিয়াউল আলম।
সজীব ওয়াজেদ জয়ের কর্মময় জীবনের কথা তুলে ধরেন আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মামুন আল রশিদ, আইএসপিএবি সভাপতি এম এ হাকিম, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শাহিদ-উল-মুনির, ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, বাক্কো সভাপতি ওয়াহিদ শরিফ, বাংলাদেশ উইমেন অ্যান্ড আইসিটির সভাপতি লাফিফা জামিল, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থ প্রতিম দেব ও ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ডঃ সাজ্জাদ হোসাইন।
জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বক্তারা বলেছেন, নামের মতোই সজীব ওয়াজেদ জয় যেমনটা সজীব তেমনি জীবন যাত্রায় জয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, জয় ভাইয়ের মেধা-দূরদর্শীতা ও সাহসিকতার সঙ্গে ডিজিটাল বাংলাদেশের ভীত গড়ে তুলেন। আইসিটি নীতিমালায় ৩০৬টি করণীয় নির্দেশনা দিয়ে যে রূপরেখা দিয়েছেন কোভিডের ৫ মাসে তার সুবাতাসই আমরা পেয়েছি। তিনি সেই সফল নেতা যিনি পরিস্থিতি আগে থেকেই অনুধাবন করতে পারেন। দূরদর্শী দিক নির্দেশনা দেন।

বক্তব্যে ‘সততা জয় ভাইয়ের জীবনের মূল দর্শন’ উল্লেখ করে জয়ের লড়াকু জীবন তরুণদের উৎসাহিত করবে বলে মন্তব্য করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।
সৎ ও সাহসীরাই দেশকে এগিয়ে নিতে পারে মন্তব্য করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, নানা আর পিতা-মাতার আদর্শ ধারণ করে বিজ্ঞান মনস্ক দেশপ্রেমিক ও সংগ্রামী দৃঢ়তায় অবৈতনিক উপদেষ্টা হিসেবে জয় ভাই শুধুই বাংলাদেশকে দিয়েই যাচ্ছেন। দুর্নীতিগ্রস্থ রাষ্ট্রকে প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা উপহার দিয়েছেন। শ্রম নির্ভর স্বল্পন্নত দেশ থেকে প্রযুক্তির নির্ভর অর্থনীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলছেন।
বায়তুল মোকাররম মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমানের বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয় এই ভার্চুয়াল জন্মোৎসব।